৬৫ কোটি টাকায় বিক্রি হলো কোরআন তেলাওয়াতের ছবি!

কোরআন তেলাওয়াত সব ই’মানদারের সব সময়ের আমল।

কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত অফুরন্ত। এ স’ম্পর্কে অসংখ্য হাদিস রয়েছে।

উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’ (বুখারি)।

হ’জরত আয়শা (রা.) রসুলুল্লাহ (সা.) থেকে ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের জ্ঞানী হবে, কিয়ামতের দিন সে সম্মানিত ফেরেস্তাদের সঙ্গে থাকবে।

আর যে কোরআন শেখার চেষ্টা করবে, শিখতে শিখতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়ে অর্থাৎ শেখার জন্য সে চেষ্টা করে, তার জন্য দ্বিগুণ সওয়াব রয়েছে।(বুখারি)।

হ’জরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের একটি অক্ষর পড়বে বিনিময়ে তাকে একটি সওয়াব দেওয়া হবে। আর প্রতিটি সওয়াব ১০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে।’ (তিরমিজি)।

সম্প্রতি, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতরত এক মু’সলিম নারীকে নিয়ে চিত্রিত একটি তুর্কি চিত্রকর্ম রেকর্ডদামে বিক্রি হয়েছে। কল্পনাতীত মূল্যে বিক্রি হওয়ায় ছবিটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উনিশ শতকের বিখ্যাত উসমানি চিত্রশিল্পী উসমান হাম’দি বের আঁকা ওই চিত্রকর্মটি লন্ডনের বনহামসে এক নিলামে বিক্রি হয়। ৬.৩ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড মূল্যে চিত্রকর্মটি বিক্রি হয়। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮৮০ সালে আঁকা চিত্রটি বিখ্যাত তুর্কি ক্যালিওগ্রাফার উসমান হাম’দি বের একটি অনন্য শিল্পকর্ম। ১৩৯ বছরের পুরনো ওই চিত্রে ঘরের ভেতরে খুব মনোযোগ সহকারে এক নারীর কোরআন পড়ার দৃশ্য রয়েছে।

কাপড়ের ক্যানভাসে তিনি ওই ছবিটি আঁকেন। তার এ চিত্রটিতে মু’সলিম নারীর এক স্বতন্ত্র্যরূপ প্রকাশ পায়। প্রাচুর্যতার মাঝে থেকেও আল্লাহতায়ালাকে পাওয়ার নিরন্তর সাধনার অনন্য বৈশিষ্ট্য ফুঁটে উঠে তার এ অংকনে।