কোরআন নিয়ে কু'রুচিপূর্ণ বক্তব্য, সেই বয়াতির পক্ষ নিলেন সাওন

সম্প্রতি বাউল গানের অনুষ্ঠানে ধ'র্মীয় অনুভুতিতে আ'ঘাত করার অ'ভিযোগে টাঙ্গাইলের শরীয়ত বয়াতিকে গ্রে'প্তারের প্রেক্ষিতে গান নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় অ'ভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন।

সেটা হুবহু পাঠকদের জন্যে তুলে ধ'রা হলো…

‘অনেক কিছুতে নিয়মিত না হলেও পরম করুনাময় আল্লাহর অস্তিত্বে, আশ্বা'সে এবং বিচারে মনে প্রাণে বিশ্বা'স করি।

কিন্তু আমি যে গান শুনি! গান গাই!! গান ভালোবাসি!!!

‘এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি! খোদা তোমা'র মেহেরবানী।’— এ গান যে আমা'র বড্ড প্রিয়…

এ গান কি বিশ্বা'সীদের জন্য হারাম! তবে কি আমি ভুল!!!

আর ‘বরিষ ধ'রা মাঝে শান্তির বারি’— এযে রবি ঠাকুরের গান!!! প্রিয় বললে কি আমা'র অন্যায় হবে! জানিনা।

হে পরম করুনাময় আল্লাহ— তবে তোমা'র রি'মান্ডেই আমাকে নেয়া হোক। এই মানবজাতির রি'মান্ডে আমা'র যে বড্ড ভয়…’

#শরীয়ত_বয়াতী_শক্ত_থাকুক

#ধ'র্ম_আমাদের_দুর্বলতা_নয়_শক্তি_হোক

গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার ধাম'রাই উপজে'লার রৌহাট্টেক এলাকায় পীর হযরত হেলাল শাহ্ পীরের ১০ম বার্ষিক পালাগানের অনুষ্ঠানে শরিয়ত বয়াতি গান গাওয়ার সময় ধ'র্মীয় অনুভূতিতে আ'ঘাত করেছেন বলে অ'ভিযোগ উঠেছে।

পু'লিশ ও স্থানীয়রা জানান, বয়াতি শরিয়ত সরকার গত ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা জে'লার ধাম'রাই থানাধীন রোহাট্রেক এলাকায় পালা গানের একটি অনুষ্ঠানে মহানবী, ম'সজিদের ঈ'মাম ও ইস'লামের নানা বিষয়ে আ'পত্তিকর বক্তব্য করেন বলে অ'ভিযোগ ওঠে।

সেখানে তিনি দাবি করেন, গান-বাজনা হারাম কোরআনে কোথাও এই কথা বলা হয় নাই। কেউ যদি হারাম প্রমাণ দিতে পারে তবে তাকে ৫০ লাখ টাকা দেবে বলে চ্যালেঞ্জ করেন। যারা নামাজ পড়ে সিজদা দিয়ে কপালে কালো দাগ করে, তাদের কপাল থেকে ১১৩টি কিরা বের হয় বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।