Thursday , April 26 2018
Breaking News

বাড়ির গৃহপরিচারিকার গর্ভে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ সন্তান!

নারী কেলেঙ্কারি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন একই সূত্রে গাঁথা হয়ে গিয়েছে। কোনভাবেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের পিছু ছাড়ছে না এ বিতর্ক। প্রথমে এক পর্নো তারকা ও পরে এক প্লেবয় মডেলের সঙ্গে যৌন কেলেঙ্কারির খবর বাসি হতে না হতেই এবার জানা গেল আকে কাহিনী। বাড়ির এক গৃহপরিচারিকার সঙ্গেও যৌন সম্পর্ক ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এমনকি ওই গৃহপরিচারিকা এক কন্যা সন্তানেরও জন্ম দিয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সাপ্তাহিক নিউইয়র্কার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প টাওয়ারের এক দ্বাররক্ষী ঘটনাটি ন্যাশনাল এনকোয়ারার নামের এক সাপ্তাহিকের কাছে প্রকাশ করলে পত্রিকার মালিকের হস্তক্ষেপে ছাপা আটকে যায়। সেই দ্বাররক্ষীর সঙ্গে ৩০ হাজার ডলার দিয়ে রফা হয় যে এই নিয়ে তিনি মুখ খুলতে পারবেন না।

এর আগে পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার ও প্লেবয় মডেল ক্যারেন ম্যাকডুগালকে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার দিয়ে মুখ বন্ধের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিটি ঘটনা ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থিতা ঘোষণার পরের। সে কারণে অভিযোগ উঠেছে, নির্বাচনের ফলাফল যাতে ট্রাম্পের বিপক্ষে না যায় সে জন্যই এসব কেলেঙ্কারি প্রকাশ পাওয়ার আগেই বাক্সবন্দী করে ফেলা হয়। স্টর্মি ও ক্যারেনের ঘটনায় ট্রাম্পকে সাহায্য করেন তাঁর দীর্ঘদিনের পুরোনো আইনজীবী মাইকেল কোহেন। নতুনটির ব্যাপারে সহায়তা করেছেন ন্যাশনাল এনকোয়ারার পত্রিকার মালিক ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ডেভিড পেকার।

ঘটনাটির সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। তবে সাজুদিন নামের দ্বাররক্ষীকে যে মোটা অঙ্কের অর্থ দেওয়া হয়েছে মুখ বন্ধ রাখার জন্য, এনকোয়ারার সে কথা স্বীকার করেছে। তিনি সত্য কথা বলছেন কি না, তা প্রমাণের জন্য সাজুদিনকে ‘লাই ডিটেকটরে’ পরীক্ষা দিতে হয় বলে পত্রিকাটি জানিয়েছে। তিনি সে পরীক্ষায় পাস করেন। পত্রিকাটির একজন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট সিএনএনকে বলেন, কোনো কাহিনির জন্য অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে নানাভাবে তা পরীক্ষা করা হয়। কাহিনির কোনো ভিত্তি না থাকলে ন্যাশনাল এনকোয়ারার মোটা অঙ্কের ‘ফি’ কিছুতেই প্রদান করে না। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তারা কথিত পরিচারিকা ও তাঁর মেয়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।

ট্রাম্প
ন্যাশনাল এনকোয়ারার-এর মালিক ডেভিড পেকারের ক্ষেত্রে একটি বাড়তি জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে জানা গেছে। ট্রাম্পের জন্য ক্ষতিকর প্রতিবেদন ‘হত্যার’ যে নির্দেশ তিনি দিয়েছেন, তা শুধু ‘বন্ধু’ হিসেবে করেছেন; সে কথা মনে করার কোনো কারণ নেই। ভাবা হচ্ছে, তাঁর হাতে হয়তো এমন নথিপত্র রয়েছে, যা প্রকাশ পেলে ট্রাম্প বিপদে পড়তে পারেন। এই বিপদ এড়াতে ট্রাম্প হয়তো তাঁকে বিশেষ ব্যবসায়িক সুবিধার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন।