Wednesday , April 25 2018
Breaking News

আইপিএলের এই সেরা একাদশকে হারানো প্রায় অসম্ভব, রয়েছেন সাকিবও

আইপিএল মানেই ব্যাট আর বলের দুরন্ত লড়াই। এই লড়াইয়ে কখনও ব্যাট জেতে তো কখনও বল। এই ফর্ম্যাটে যে কোনও দল চায় ভাল অলরাউন্ডারদের রাখতে। যাঁরা প্রয়োজনের সময় বল হাতে একটা অসাধারণ স্পেল করে দিতে পারেন, আবার ব্যাট হাতে একটা ক্যামিও খেলে দিতে পারেন। এ বারের আইপিএল থেকে আমরা শুধু অলরাউন্ডারদের নিয়ে একটা দল বানালাম। দেখুন তো এই দলকে আপনার প্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি হারাতে পারে কি না।

শেন ওয়াটসন: আমাদের অলরাউন্ডারদের দলের অধিনায়ক এবং ওপেনার। রাজস্থানের হয়ে দীর্ঘ দিন খেলেছেন এই অজি অলরাউন্ডার। এ বছর অবশ্য খেলবেন চেন্নাইয়ের হয়ে।

সুনীল নারিন: ক্রিস লিনের অনুপস্থিতিতে নাইটদের হয়ে গত বার বেশ কয়েকটি ম্যাচ ওপেন করেন তিনি। ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে দুরন্ত কয়েকটি ইনিংস খেলেন তিনি। এ ছাড়া তাঁর মিস্ট্রি বোলিং তা আছেই। ওয়াটসনের সঙ্গে ইনিংসের ওপেন করবেন তিনি।

সুরেশ রায়না: আমাদের দলের তিন নম্বরে আসবেন সুরেশ রায়না। গত দশ আইপিএলে ধারাবাহিক পারফর্ম করা রায়না ১৬১ ম্যাচে ৩৪-এর বেশি গড়ে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি রান করেছেন। ওভারপিছু সা়ড়ে সাতের কম রান দিয়ে নিয়েছেন ২৫ উইকেট।

বেন স্টোকস: আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার। ব্যাট এবং বলে একাই দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন। রাইজিং পুণের হয়ে গত আইপিএলে ১২ ম্যাচে ৩১৬ রান করেছিলেন। স্ট্রাইক রেট ১৪৩। মাত্র ৭.১৮ গড়ে ১২টি উইকেটও নিয়েছিলেন।

কিয়েরন পোলার্ড: ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই অল রাউন্ডার আইপিএলে মুম্বইকে বহু ম্যাচ জিতিয়েছেন। ব্যাটে প্রায় ২৯ গড় এবং ১৪৬ স্ট্রাইক রেটের পোলার্ড আইপিএলে মোট ৫৬টি উইকেট নিয়েছেন।

আন্দ্রে রাসেল: গত বারের মতো এ বারেও নাইটদের অন্যতম ভরসা হতে চলেছেন রাসেল। ডানহাতি এই ক্যারিবীয়র ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ১৭৩। ওভার প্রতি রান একটু বেশি দিলেও সঠিক সময়ে উইকেট তোলার ক্ষমতা রাখেন এই অলরাউন্ডার।

হার্দিক পাণ্ড্য: বরোদার এই ২৫ বছরের অলরাউন্ডার মুম্বই তো বটেই ভারতের জাতীয় দলেরও বড় ভরসা। গত বছর ব্যাট হাতে ১৫৬ এবং বল হাতে ২৬ স্ট্রাইক রেট মুম্বইকে অনেক ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করেছিল।

সাকিব অল হাসান: ব্যাট হাতে তেমন ভাবে নজর না কাড়তে পারলেও বল হাতে কিন্তু আইপিএলে যথেষ্ট সফল বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা এই অলরাউন্ডার। আইপিএলে তাঁর বোলিং গড় মাত্র ৭.১৭।

কেদার যাদব: আমাদের দলের উইকেটরক্ষক যিনি বল ও ব্যাটে যথেষ্টই সাবলীল। পার্ট টাইম উইকেট কিপিং করতে পারেন বলেই তাঁকে দলে রাখা হল।

ক্রিস মরিস: দক্ষিণ আফ্রিকার এই অলরাউন্ডার নতুন বলে যেমন ইনিংস শুরু করতে পারেন, তেমনই হার্ড হিটারের ভূমিকাও নিতে পারেন। চেন্নাইয়ের হয়ে আইপিএল অভিষেক করা মরিস এ বার খেলবেন দিল্লির হয়ে।

ডোয়েন ব্রাভো: আইপিএলে এখনও পর্যন্ত বারোশোরও বেশি রান করা ব্রাভো ১২২টি উইকেটও নিয়েছেন।

যুবরাজ সিংহ: আইপিএলে আড়াই হাজারের বেশি রান করা এই বাঁহাতি আমাদের দলের দ্বাদশ ব্যক্তি। ব্যাট তো বটেই বল হাতেও ম্যাচ উইনার যুবরাজ।