Thursday , April 26 2018

বোর্ড চাইলে আপত্তি নেই ওয়ালশের

সাউথ আফ্রিকা সফরের পর থেকেই অভিভাবকহীন বাংলাদেশ ।চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দায়িত্ব ছেড়েছেন প্রায় চার মাস আগে। এখনও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য পছন্দসই কোনো কোচ পায়নি বিসিবি। প্রধান কোচ ছাড়াই নিজেদের মাটিতে এবং শ্রীলংকায় সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। দেশে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ এবং শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্ট ও টি২০ সিরিজে দলের অঘোষিত কোচের দায়িত্বে ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। আর শ্রীলংকায় তিন জাতি নিদাহাস ট্রফিতে অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পালন করেন দলের পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ। নিদাহাস ট্রফির শিরোপা না জিতলেও দারুণ লড়াই উপহার দিয়েছিল বাংলাদেশ। কোচের ভূমিকাটাও দারুণ উপভোগ করেছিলেন ওয়ালশ।

গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কিংবদন্তি এই পেসার বললেন, বোর্ড চাইলে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচের ভূমিকা চালিয়ে যেতেও আপত্তি নেই তার। জানালেন, দ্রুতই একজন কোচ নিয়োগ দেওয়াটা বেশ জরুরি, ‘আমি জানি যে, এ মুহূর্তে বোর্ড একজন কোচের খোঁজ করছে। যদি আমাকে এই কাজের জন্য বলা হয়, তবে আমি বেশ আনন্দের সঙ্গেই তা করব। যত তাড়াতাড়ি আমরা একজন কোচ পাব, ততই ভালো। তাহলে আমরা আমাদের মোমেন্টা ধরে রাখতে পারব। আশা করি, আমরা এমন একজনকে কোচ হিসেবে পাব, যার সঙ্গে কাজ করে সবাই আনন্দ পাবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাফল্যই আমার একমাত্র লক্ষ্য।’

জুলাই-আগস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজে দু’দলের মধ্যে দারুণ লড়াইয়ের আশা করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ১৩২ টেস্টে ৫১৯ উইকেট শিকার করা ওয়ালশ। বললেন, ‘আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দিকে তাকিয়ে আছি। এই সফর বেশ জমজমাট হবে বলে আমি মনে করি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের মাটিতে কতটা বিপজ্জনক, সেটা আমরা জানি। আমরা দেশের বাইরে বিশেষ করে লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেটে খুব একটা ভালো করছি না, তাই আমাদের জন্য টেস্ট সিরিজ বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। দু’দলই নিজেদের সামর্থ্য জানান দেওয়ার জন্য লড়বে।’

এ বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়ায় দুটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলতে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু এ মুহূর্তে বাংলাদেশের সঙ্গে সিরিজ আয়োজনে অনাগ্রহ দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট খেলার সুযোগ না পাওয়াকে বড় এক সমস্যা হিসেবেই দেখছেন এই বোলিং কোচ। তার মতে, ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে বেশি বেশি টেস্ট খেলার মাধ্যমেই কেবল টেস্টে উন্নতি করা সম্ভব, ‘আমরা খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছি না, এটা হতাশার। অস্ট্রেলিয়া সফরে যাওয়ার কথা ছিল আমাদের, সেটা হচ্ছে না। আপনি যত বেশি খেলবেন, তত বেশি উন্নতি করবেন। দেশের বাইরে আমরা সর্বশেষ টেস্ট খেলেছি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। এত বেশি সময়ের ব্যবধানে বাইরে টেস্ট খেলার সুযোগ পেলে উন্নতিটা এমনিতেই অনেক শ্নথ হয়ে যায়। আর আমার মনে হয়, কোনো ক্রিকেটারকে বিচার করার জন্য হলেও বেশ কিছু টেস্ট খেলা প্রয়োজন।’